“বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন: আপনার ব্র্যান্ডের আইনি সুরক্ষা ও ব্যবসায়িক শক্তি”

Trademark Registration

 

ট্রেডমার্ক কী এবং এটি কেন একটি কৌশলগত সম্পদ ?

ট্রেডমার্ক হলো একটি স্বতন্ত্র নাম, লোগো, চিহ্ন, প্রতীক অথবা এদের সমন্বয়—যা আপনার পণ্য বা সেবাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে পরিচিত করে।

একটি নিবন্ধিত ট্রেডমার্ক—

  • আপনার ব্র্যান্ডকে আইনগত স্বীকৃতি দেয়
  • গ্রাহকের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করে
  • ব্র্যান্ড নকল বা অননুমোদিত ব্যবহারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা দেয়
  • ব্যবসার বাজারমূল্য ও বিনিয়োগযোগ্যতা বাড়ায়

আইনের দৃষ্টিতে, ট্রেডমার্ক ছাড়া কোনো ব্র্যান্ডের মালিকানা দাবি দুর্বল ঝুঁকিপূর্ণ

বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন কেন অপরিহার্য ?

বাংলাদেশে ব্যবসা পরিচালনার ক্ষেত্রে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ কমপ্লায়েন্স ও গ্রোথ টুল।

এর সুবিধাসমূহ—

✅ ব্র্যান্ড নাম ও লোগোর পূর্ণ আইনি মালিকানা
✅ প্রতিযোগীদের দ্বারা কপি বা বিভ্রান্তিকর ব্যবহারের বিরুদ্ধে সুরক্ষা
✅ আদালতে মামলা করার আইনগত অধিকার
✅ ফ্র্যাঞ্চাইজি, লাইসেন্সিং ও ব্র্যান্ড এক্সপানশনের সুযোগ
✅ বিদেশে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশনের ভিত্তি (WIPO)
✅ দীর্ঘমেয়াদি ব্যবসায়িক স্থায়িত্ব

⚠    অনেক ব্যবসা সফল হওয়ার পর ট্রেডমার্ক নিয়ে জটিলতায় পড়ে—যা সহজেই এড়ানো সম্ভব ছিল সময়মতো রেজিস্ট্রেশন করলে।

বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশনের পূর্ণ প্রক্রিয়া

১. ট্রেডমার্ক সার্চ ও ঝুঁকি বিশ্লেষণ

DPDT ডাটাবেইস ব্যবহার করে সম্ভাব্য কনফ্লিক্ট যাচাই করা হয়, যাতে ভবিষ্যতে আপত্তি বা মামলা এড়ানো যায়।

২. সঠিক ক্লাস নির্বাচন ও আবেদন প্রস্তুতি

Nice Classification অনুযায়ী আপনার পণ্য বা সেবার জন্য উপযুক্ত ক্লাস নির্বাচন করে আবেদন প্রস্তুত করা হয় (TM-1 ফর্ম)।

৩. DPDT পরীক্ষা (Examination Stage)

DPDT কর্তৃক আইনি ও টেকনিক্যাল পর্যালোচনা সম্পন্ন হয়। প্রয়োজনে আপত্তির জবাব দেওয়া হয়।

৪. ট্রেডমার্ক জার্নালে প্রকাশ

আবেদন গ্রহণযোগ্য হলে এটি অফিসিয়াল জার্নালে প্রকাশিত হয়—যেখানে তৃতীয় পক্ষ আপত্তি জানাতে পারে।

৫. নিবন্ধন ও সার্টিফিকেট ইস্যু

সব প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়, যা আপনার একচেটিয়া অধিকার নিশ্চিত করে।

প্রয়োজনীয় ডকুমেন্টস

  • বৈধ ট্রেড লাইসেন্স / কোম্পানি ইনকর্পোরেশন সার্টিফিকেট
  • আবেদনকারীর NID বা পাসপোর্ট
  • লোগো (যদি প্রযোজ্য হয়)
  • পণ্য বা সেবার বিস্তারিত বিবরণ
  • আবেদনকারীর ছবি

Segunbagicha Consultancy সম্পূর্ণ ডকুমেন্টেশন, ফরম্যাটিং ও সাবমিশন নিজ দায়িত্বে সম্পন্ন করে।

ট্রেডমার্ক ক্লাস (Nice Classification)

বাংলাদেশে ট্রেডমার্ক নিবন্ধনের জন্য ৪৫টি ক্লাস ব্যবহৃত হয়—

  • Class 1–34 → পণ্য
  • Class 35–45 → সেবা

ভুল ক্লাস নির্বাচন করলে ট্রেডমার্ক বাতিল বা সীমিত সুরক্ষা পেতে পারে।
আমরা আপনার ব্যবসার প্রকৃতি বিশ্লেষণ করে সঠিক ক্লাস নির্ধারণ করি।

ট্রেডমার্কের মেয়াদ নবায়ন

  • প্রাথমিক মেয়াদ: বছর
  • পরবর্তীতে: প্রতি ১০ বছর অন্তর নবায়নযোগ্য

আমরা ট্রেডমার্ক নবায়ন, মালিকানা হস্তান্তর (Assignment) এবং সংশোধন সংক্রান্ত পূর্ণ সাপোর্ট প্রদান করি।

কেন Segunbagicha Consultancy আপনার জন্য সঠিক পছন্দ ?

✅ অভিজ্ঞ ট্রেডমার্ক কনসালট্যান্ট টিম
✅ DPDT কমপ্লায়েন্ট ও ঝুঁকিমুক্ত ফাইলিং
✅ আপত্তি ও বিরোধ ব্যবস্থাপনায় সহায়তা
✅ লোকাল ও ফরেন ক্লায়েন্ট সাপোর্ট
✅ স্বচ্ছ ও প্রফেশনাল সার্ভিস প্রসেস
✅ রেজিস্ট্রেশন পরবর্তী লিগ্যাল সাপোর্ট

আমরা শুধু একটি সার্ভিস দেই না—
আমরা আপনার ব্র্যান্ডের আইনি ভবিষ্যৎ গড়ে দেই

উপসংহার

একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড গড়ে তুলতে কেবল মার্কেটিং যথেষ্ট নয়—
আইনগত সুরক্ষা না থাকলে সেই ব্র্যান্ড কখনোই নিরাপদ নয়।

আজই ট্রেডমার্ক রেজিস্ট্রেশন মানে—
✔ নিরাপদ ব্যবসা
✔ শক্তিশালী পরিচয়
✔ দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণ